Monday, May 16, 2022
Monday, May 16, 2022
Homeবাণিজ্যআমদানি-রফতানির সময়সীমা বৃদ্ধি হিলিতে

আমদানি-রফতানির সময়সীমা বৃদ্ধি হিলিতে

danish

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুখবর বাংলা: ব্যবসায়ীদের অনুরোধে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রফতানির সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। ফলে এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পণ্য আমদানি বেড়েছে। বিগত কয়েকদিন আগে এ স্থলবন্দর দিয়ে ১০০ থেকে ১৫০ ট্রাক পণ্য আমদানি হলেও বর্তমানে এর সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাকে দাঁড়িয়েছে। ফলে এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বন্দর অবকাঠামো উন্নয়নসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে পানামা কর্তৃপক্ষ।

গেল কয়েক সপ্তাহ আগে প্রতিবেশি দেশ ভারতের অভ্যন্তরে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে সিরিয়াল নেওয়ার ঝামেলা এবং হিলি পানামা পোর্ট এলাকায় যানজটের প্রভাবে হিলি স্থলবন্দরে ঝিমিয়ে পড়ে আমদানি রফতানি বাণিজ্য। যেখানে প্রতিদিন গড়ে ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক বন্দরে প্রবেশের কথা, সেখানে নানামুখী সমস্যায় তা নেমে এসেছে ১০০ থেকে ১৫০ ট্রাকে।

তবে সম্প্রতি উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের দফায় দফায় বৈঠক এবং হিলি পানামা পোর্ট কর্তৃপক্ষের নানা পদক্ষেপের ফলে আবারও বন্দরের বাণিজ্য কার্যক্রম প্রাণ ফিরে পেয়েছে। ফলস্বরূপ বেড়েছে আমদানি রফতানির পরিমাণ। সেই সঙ্গে বাড়ছে সরকারের রাজস্ব।

এদিকে বাণিজ্য বাড়ায় খুশি বন্দরে কর্মরত শ্রমিকসহ ব্যবসায়ীরা। হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি জানান, হিলিবন্দর অনেক সম্ভাবনাময়। আমরা ব্যাবসায়ীরা পণ্য আমদানি করার পরে বন্দর থেকে ক্রয়-বিক্রয় করে থাকি। তবে ব্যাপক চাহিদা থাকার পরেও ভারতীয় ব্যবসায়ীদের কারণে আমদানি করতে পারতাম না। সে দেশের ট্রাকের সিরিয়াল নিতে প্রতিটি ট্রাককে ১৫ থেকে ২০ দিনের থেকেও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হত। এতে হিলি বন্দর থেকে অনেক আমদানিকারকরা অন্য বন্দরে চলে গেছেন।

এ বিষয়ে বন্দরের আরেকজন আমদানিকারক দয়াল মোল্লা বলেন, বাড়ির কাছে হিলি পোর্ট কিন্তু এলসি করার পরে সময়মতো পণ্য আমদানি করতে পারি না। কারণ ভারত হিলি ট্রাক পার্কিংয়ে সিরিয়াল নিতে অনেক সময় লাগে। তাই অন্য বন্দর থেকে পণ্য আমদানি করে হিলিতে পণ্য এনে ব্যবসা করতে হয়েছে। তবে বর্তমানে হিলি বন্দরের সমস্যা অনেকটা স্বাভাবিক মনে হচ্ছে। এভাবে চললে ব্যবসা অনেক বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে আরেকজন আমদানিকারক বলেছেন, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে র্দীঘদিনের বড় একটা সমস্যা হচ্ছে, বন্দর অভ্যন্তরে ডিউটি দেওয়ার জন্য ব্যাংকের শাখা নেই। ব্যাংক থাকলে সুবিধা হতো।

এ বিষয়ে হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা নুরুল আলম খান বলেন, সম্প্রতি হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পণ্য আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এভাবে আমদানি চলমান থাকলে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) যে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে, তার চেয়ে অনেক বেশি আদায় হবে। তাছাড়া আমদানিকৃত পণ্য শুল্কায়ন শেষে দ্রুত ছাড়করণ করা হচ্ছে, যাতে ব্যবসায়ীরা দ্রুত পণ্য বাজারজাত করতে পারেন।

তবে বন্দরের জায়গার বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়েছেন হিলি পানামা পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাফ হোসেন প্রতাফ মল্লিক। বন্দরের যানজট নিয়ে তিনি বলেন, আমদানি-রফতানির এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে বন্দর এলাকায় অতিরিক্ত গেট নির্মাণ ও যানজটে নিরসনে ট্রাফিক মোতায়েন করা হয়েছে। তাছাড়া বন্দরের জায়গা বৃদ্ধির জন্য বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি খুবই শিগগিরই জায়গা বৃদ্ধি হবে।

আরো পড়ুন:

ভোজ্যতেলের বাজারে অস্থিরতা সিন্ডিকেটের কারসাজি বলে দাবি ব্যবসায়ীদের

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments