spot_img
28 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

১৩ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

২৯শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

সর্বশেষ
***‘বেহেশতে আছি’: নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী***জেনে নিন তারকাদের আসল ফেসবুক আইডি চেনার উপায়***কথাবার্তায়, আচার-আচরণে দায়িত্বশীল হতে নেতাকর্মীদের প্রতি ওবায়দুল কাদেরের আহ্বান***কচ্ছপের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ৩ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান! ***দিনে সাশ্রয় হচ্ছে দেড় হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ***অর্থবছরের প্রথম চল্লিশ দিনেই ৪০ কোটি টাকার খাজনা আদায়***সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশকে দৃষ্টান্ত মনে করেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট***টি-টোয়েন্টি: এশিয়া কাপ-বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব***বই পড়তে ভালবাসেন? বইয়ের যত্ন নেবেন কী ভাবে?***তারুণ্য হোক উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ ঝুঁকিমুক্ত

আপত্তিকর সম্পর্কের শাস্তি : জামালপুরের সেই ডিসির বেতন হলো অর্ধেক

- Advertisement -

ডেস্ক রিপোর্ট, সুখবর ডটকম: একজন নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে আপত্তিকর সম্পর্কে জড়ানোয় শাস্তি হিসাবে জামালপুরের সাবেক ডিসি আহমেদ কবীরের বেতন গ্রেড কমিয়ে দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। উপসচিব হিসাবে তিনি বর্তমানে ৫ম গ্রেডে বেতন পান। শাস্তির কারণে তিনি এখন ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী ৬ষ্ঠ গ্রেডের সর্বনিম্ন ধাপের বেতন পাবেন। পঞ্চম গ্রেডে তার মূল বেতন প্রায় ৭০ হাজার টাকা। এখন তিনি মূল বেতন পাবেন ৩৫ হাজার টাকা। সঙ্গে সংগতিপূর্ণ অন্যান্য ভাতা-সুবিধা পাবেন।

জামালপুরের ডিসি থাকাকালে অফিসের অফিস সহায়ক সানজিদা ইয়াসমিন সাধনা নামে একজন নারীর সঙ্গে আহমেদ কবীরের আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর বিষয়টি জানাজানির পর ব্যাপকভাবে সমালোচনার মুখে তাকে ডিসি পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তিনি যে অপরাধ করেছেন তা পুরো প্রশাসনকে কলঙ্কিত করেছে। তার পরিবার ও সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা ও সার্বিক বিষয় বিবেচনা করেই এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তিনি আর কখনো পদোন্নতি পাবেন না। এই পদ থেকেই তাকে চাকরি থেকে বিদায় নিতে হবে। বেতনও প্রায় অর্ধেকে নেমে আসবে।’

একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার অপরাধ একাধিক তদন্তে প্রমাণিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ শাস্তি কেন দেওয়া হয়নি? এমন প্রশ্নে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বুধবার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিজ্ঞ তদন্তকারীরা বিদ্যমান আইন-বিধি বিবেচনা করে যে শাস্তি সুপারিশ করেছেন তাতে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি) সম্মতি দিয়েছে। একাধিক স্তরে যাছাই করে ও সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে অভিযুক্তকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হয়েছে বলে আমরা মনে করি।’

জানা গেছে, কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী গুরুদণ্ড হিসাবে শাস্তির যে বিধান রাখা হয়েছে এগুলো হচ্ছে : নিম্নপদ বা নিম্নবেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ, বাধ্যতামূলক অবসর, চাকরি থেকে অপসারণ, চাকরি থেকে বরখাস্তকরণ। সবচেয়ে কম দণ্ডের শাস্তিটি হচ্ছে নিম্নপদ বা নিম্নবেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ। সেটিই দেওয়া হয়েছে আহমেদ কবীরকে।

আহমেদ কবীরের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় তাকে শাস্তি দিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮-এর বিধি ৪(৩)(ক) মোতাবেক গুরুদণ্ড হিসেবে তিন বছরের জন্য নিম্নবেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ করা হলো।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ