spot_img
27 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

৫ই অক্টোবর, ২০২২ইং, ২০শে আশ্বিন, ১৪২৯বাংলা

আট মাসে রপ্তানি আয় পৌনে ৩ হাজার কোটি ডলার

- Advertisement -

সুখবর রিপোর্ট: গত কয়েক মাসে রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সর্বশেষ ফেব্রুয়ারি মাসেও রপ্তানি বেড়েছে আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ শতাংশের উপরে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত হালনাগাদ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের প্রথম আট মাস জুলাই-ফেব্রুয়ারিতে সার্বিকভাবে রপ্তানি বেড়েছে পূর্বের অর্থ বছরের একই সময়ের চেয়ে ১২ দশমিক ৯৮ শতাংশ। গত আট মাসে রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৭৫৬ কোটি ২৮ লাখ ডলার।

অভ্যন্তরীণ রাজস্বসহ সামষ্টিক অর্থনীতির কিছু খাতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না থাকা সত্ত্বেও রপ্তানি বৃদ্ধির এই চিত্রে আশাবাদী অর্থনীতিবিদসহ সংশ্লিষ্টরা।

রপ্তানিকারকরা মনে করছেন, রপ্তানির এই চিত্র আগামী মাসগুলোতেও অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থ বছরের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে। গত ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে পণ্য রপ্তানি ছিল ৩ হাজার ৬৬৬ কোটি ৮২ লাখ ডলারের সমপরিমাণ। প্রবৃদ্ধি হয়েছিল পূর্বের অর্থ বছরের চেয়ে ৫ দশমিক ৮১ শতাংশ। সেই বিবেচনায় এবার এখন পর্যন্ত প্রবৃদ্ধিতে সন্তুষ্ট রপ্তানিকারকরা। তবে অর্থ বছরের প্রথম পাঁচ মাসে প্রবৃদ্ধির গতি বেশ ভালো থাকলেও গত তিন মাস ধরে ওই গতি কিছুটা কমতির দিকে।

চলতি অর্থ বছর প্রায় সাড়ে ছয় শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরে লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে ৩ হাজার ৯শ কোটি ডলার। ইপিবির হিসাব অনুযায়ী, ইতোমধ্যে গত আট মাসে রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৭৫৬ কোটি ২৮ লাখ ডলারের সমপরিমাণ।


ইপিবির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, রপ্তানির এ গতি অব্যাহত থাকলে চলতি অর্থ বছর শেষ নাগাদ ৪ হাজার কোটি ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারে রপ্তানি আয়।

রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসে গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে। ইপিবির পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত আট মাসে মোট রপ্তানির প্রায় ৮৪ শতাংশই এসেছে এ খাত থেকে। আলোচ্য সময়ে গার্মেন্টস রপ্তানি বেড়েছে ১৪ শতাংশেরও বেশি। এই সময়ে গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৩১৩ কোটি ডলারের।

অন্যতম রপ্তানিকারক ও পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, গত কয়েক বছরে উদ্যোক্তারা গার্মেন্টস খাতের সংস্কারে বড় বিনিয়োগ করেছেন। এর ইতিবাচক বার্তা গেছে বায়ারদের মধ্যে। ফলে তাদের মধ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করার বিষয়ে আস্থা তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে সম্প্রতি চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যযুদ্ধের ডামাডোলে কিছু মার্কিন ক্রেতা বাংলাদেশে অর্ডার বাড়িয়েছেন। এসব কারণে রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।

আগামী মাসগুলোতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে আশা করে তিনি বলেন, অস্বাভাবিক কোনো কারণে রপ্তানি না কমে গেলে আগামী জুন নাগাদ রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। যদিও গার্মেন্টসে মজুরি বৃদ্ধিসহ নানামুখী কারণে উত্পাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় অনেক উদ্যোক্তার পক্ষে ব্যবসা টিকিয়ে রাখা কঠিন হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

গার্মেন্টস রপ্তানিতে ভালো করলেও ধুঁকছে একসময়ের সোনালি আঁশ পাটপণ্য। গত আট মাসে পাট ও পাটপণ্য রপ্তানি না বেড়ে উল্টো আগের অর্থ বছরের একই সময়ের চেয়ে কমে গেছে ২৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ। রপ্তানি কমে যাওয়ার তালিকায় আরো রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য সাড়ে ১১ শতাংশ, হোম টেক্সটাইল আড়াই শতাংশ, প্রকৌশল পণ্যসহ আরো কিছু পণ্য।

অন্যদিকে রপ্তানি বাড়ার তালিকায় রয়েছে হিমায়িত মাছ ও খাদ্য ২ দশমিক ৮৭ শতাংশ, কৃষি পণ্য ৫৮ শতাংশ, কেমিক্যাল পণ্য ৫১ শতাংশ, প্লাস্টিক পণ্য ২৮ দশমিক ৩২ শতাংশ, হস্তশিল্প, কার্পেট, বিশেষায়িত টেক্সটাইলসহ আরো কিছু পণ্য।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ