spot_img
28 C
Dhaka
spot_imgspot_imgspot_imgspot_img

১১ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ

২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আগস্টে ৩২৪ কোটি ডলারের পোশাক রফতানি | প্রবৃদ্ধি ৪৪ শতাংশ

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুখবর ডটকম: বিজিএমইএর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের দ্বিতীয় মাস আগস্টের ৩০ দিনে পোশাক রফতানি হয়েছে ৩২৩ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ডলারের। ২০১৯-২০ অর্থবছরের আগস্টের তুলনায় রফতানি বেড়েছে ৪৪ শতাংশ। গত অর্থবছরের আগস্টে পোশাক রফতানি হয়েছিল ২২৩ কোটি ৯২ লাখ ৯০ হাজার ডলারের।

আমেরিকা ও ইউরোপে বাংলাদেশের বৃহৎ রফতানি গন্তব্যের প্রায় প্রতিটি দেশেই কভিড-১৯-এর ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ায় একের পর এক ক্রয়াদেশ বাতিল ও স্থগিত হওয়ার কারণে দেশের রফতানি কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতের রফতানি ধারাবাহিকভাবেই কমে যায়।

গত মার্চে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকের রফতানি কমে যায় প্রায় ২৭ শতাংশ। এপ্রিলে কমে প্রায় ৮৫ শতাংশ। আর মে মাসে কমে প্রায় ৬৩ শতাংশ। কমার ধারাবাহিকতা বজায় থাকলেও জুনে ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধির হার আগের তুলনায় কম ১৯ শতাংশ। জুনে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রফতানি হয়েছে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের। আর জুলাইয়ে পোশাক রফতানি বেড়ে হয়েছে ৩২৪ কোটি ডলারের।

এক অর্থবছর বিবেচনায় ২০১৮-১৯ অর্থবছরে পোশাক পণ্যের মোট রফতানি ছিল ৩ হাজার ৪১৩ কোটি ৩২ লাখ ডলারের। ২০১৯-২০ অর্থবছরে পোশাক রফতানি হয়েছে ২ হাজার ৭৭০ কোটি ১৭ লাখ ডলারের। এ হিসেবে এক অর্থবছরে ৬৪৩ কোটি ১৫ লাখ ডলার বা প্রায় ১৯ শতাংশ কম হয়েছে পোশাক রফতানি।

চীনের উহানে কভিড-১৯-এর প্রাদুর্ভাব দেখা দেয় গত ডিসেম্বরের শেষে। ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে তা বিশ্বের অধিকাংশ দেশে ছড়িয়ে পড়ে। এ প্রেক্ষাপটে জানুয়ারি থেকেই দেশের তৈরি পোশাক রফতানিতে নিম্নমুখিতা বজায় রয়েছে। করোনার প্রভাবে দেশের তৈরি পোশাক খাত প্রথমে কাঁচামালের সরবরাহ সংকটে পড়ে। চীনে নভেল করোনাভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের কারণে দেশটি থেকে কাঁচামাল আমদানি ব্যাহত হয়।

দেশে তৈরি পোশাক খাতের ওভেন পণ্যের আনুমানিক ৬০ শতাংশ কাপড় আমদানি হয় চীন থেকে। আর নিট পণ্যের কাঁচামাল আমদানি হয় ১৫-২০ শতাংশ। পরবর্তী সময়ে ধীরগতিতে হলেও কাঁচামাল সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কিন্তু রফতানি গন্তব্যগুলোয় এ রোগের প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়ায় চাহিদার সংকট তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রয়াদেশ বাতিল-স্থগিত করতে থাকে একের পর এক ক্রেতাপ্রতিষ্ঠান।

বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, মাসভিত্তিক রফতানির চেয়ে ছয় মাসের গড় বিবেচনায় নিলে পোশাক রফতানি পরিস্থিতির প্রকৃত চিত্র দেখা যেত। পণ্যভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বৃদ্ধির দিক থেকে কটন ট্রাউজারের অংশ সবচেয়ে বেশি। ম্যান মেড ফাইবার ক্যাটাগরির পণ্যের রফতানিও বাড়তে শুরু করেছে। উইমেনস-গার্লস কটন ট্রাউজারের উল্লেখযোগ্য রফতানি বেড়ে মোট রফতানিতে পণ্যগুলোর অংশগ্রহণও বাড়িয়েছে।

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ