spot_img
21 C
Dhaka

৩০শে জানুয়ারি, ২০২৩ইং, ১৬ই মাঘ, ১৪২৯বাংলা

অতিথি পাখির আগমনে শোভা বেড়েছে নীলফামারীর বাফলা বিলের

- Advertisement -

নিজস্ব প্রতিবেদক, সুখবর ডটকম: সবুজ শ্যামলে জীববৈচিত্রে ভরা বিশাল জলাধার বাফলার বিলে প্রতি বছরের মত এবারও শীতের আগমনে হাজার হাজার বালিহাঁস, পাতিসরালি-সহ নানা জাতের পরিযায়ী জলচর পাখির মেলা বসেছে। দলবেঁধে আসা এসব পাখির ডানার শব্দ আর কলতানে ভোরে ঘুমভাঙে স্থানীয়দের। নয়নাভিরাম এ জলাশয়ে হাজারও শাপলা ও সাদা পদ্ম ফুল ফুটে স্বর্গীয় রূপ ধারণ করে আছে। খাবারের সন্ধানে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে আসা এসব অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে বিলের চারপাশ। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের বাফলা বিলে এ দৃশ্য এখন নিত্যদিনের। স্থানীয়দের অতিথেয়তায় ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখির  মেলবন্ধন যেন এক অঘোষিত পাখির অভয়াশ্রম।

অতিথি পাখির আগমনে শোভা বেড়েছে বাফলা বিলের
বাফলা বিল। ছবি: সংগৃহীত

স্থানীয়রা জানায়, পাখিগুলো শীত প্রধান দেশে টিকতে না পেরে প্রতি বছর শীতে অতিথি হিসেবে এখানে আশ্রয় নেয়। এরপর বসন্তে উত্তরে উড়াল দেয়। এমন নিরাপদ আবাসস্থলে পানকৌড়ি, চাপাখি, টুনটুনি, বেনেবউ, হাঁড়িচাচা, দোয়েল, শালিক, রাতচরা, কানাবক, সাদাবক, ধূসরবক, মাছরাঙ্গাসহ নাম না জানা অনেক পাখির আনা গোনা চলে নিত্যদিন।

সরেজমিনে দেখা যায়, শতাধিক একরের সরকারি খাসভুক্ত জলায়তন বিলের একাংশ দখলমুক্ত ও খনন করে তোলা হয়েছে মৎস্য অভয়ারণ্য। তাছাড়া মৎস্যজীবীরা বিশাল এলাকাজুড়ে মাছ রক্ষায় এর চারপাশ বাঁশের বেড়া ও জাল দিয়ে নিরাপদ বেষ্টনি গড়ে তুলেছেন।এমন নিরাপদ বেষ্টুনির আবাসস্থলে বালিহাঁস, সরালির মত হাজার হাজার অতিথি পাখি জলকেলিতে মেতে উঠে। তাদের ছোটাছুটি আর লুটোপুটি চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। গোধুলির রঙ ডানায় মেখে পাখিগুলো যার যার মত আশ্রয় নেয় আশপাশের গাছগাছালি, বাঁশঝাড় ও কুচুরিপানায়।

বিল পাড়ের বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, এলাকার মানুষ পাখির প্রতি একদম সদয়। এখানে কাউকে পাখি শিকার করতে দেওয়া হয় না। তাই পাখি শিকার করতে এখানে আর কেউ আসে না।

তবে পাখি নিরাপত্তায় জনসচেতনাতা সৃষ্টি করে, পাখি শিকার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ, পাখি শিকার করলে জেল-জরিমানা করা হবে প্রচারসহ বিল এলাকা সরকারিভাবে পাখির অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হলে শীত মৌসুমে পাখির ভিড় আরো বাড়বে বলে মনে করে তিনি। এছাড়া এলাকাটি একটি সুস্থ বিনোদনের কেন্দ্রস্থল হতে পারে বলে জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুর-ই-আলম সিদ্দিকী গণমাধ্যমকে বলেন, একসঙ্গে এতো পাখির আনাগোনা দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। পাখিগুলো প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি স্থানীয়দের বিনোদনের খোরাক জোগানোর পাশাপাশি পুরো এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে। বিশেষ করে এ বিল পাখিদের অন্যতম নিরাপদ আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। শিকারিদের হাত থেকে রক্ষায় জনসচেতনতাসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এম/

আরো পড়ুন:

আখেরি মোনাজাত ঘিরে বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক

- Advertisement -

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফলো করুন

25,028FansLike
5,000FollowersFollow
12,132SubscribersSubscribe
- Advertisement -

সর্বশেষ